হিজড়াদের আত্মহত্যার মাত্রা বেড়েছে

হিজড়া জনগোষ্ঠির কথা বলি, আসলে একটা মানবেতর জীবনযাপন আগে থেকেই করছিলাম আমরা। এবং এই রিপ্রেজেন্টেশনে এসে যখন দেখলাম যে, করোনাকালীন আর একটা নতুন বাস্তবতার মুখ দেখতে হয়েছে।

যেখানে আমরা ওয়ার্ক ফর্ম হোম করি, সেখানে এই মানুষগুলো বাইরে বের না হওয়া ছাড়া খাবার পাওয়াটা মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়। একটা মানুষ যদি ঢোল নিয়ে না বের হয়, তবে একদিনের খাবারটা ঘরে আসে না।

বাসস্থানের যেহেতু প্রবলেম শুরু থেকেই ফেস করছি। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকতে হয়।

টাকা থাকলেও আমি তাসনুভা একটা ভাল জায়গায় থাকতে পারি না। আমাকে অ্যালাউ করবে না বা করে না।

যেহেতু আমাদের ট্রান্সফোবিয়া আছে। সেই দরুণে দেখতে পাই যে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে চিকিৎসা পাওয়া বা চিকিৎসকের কাছে যাওয়াটা একটা মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়।

সো এই স্টিগমাগুলো দূর করার জন্য প্রচুর সোশ্যাল অ্যাওয়ারনেস দরকার।

মেন্টাল হেলথে ফোকাস করতে না পারার দরুণে যেটা হয়েছে, কমিউনিটিতে সুইসাইডের মাত্রা অনেক বেশি এবং করোনার সময় সুইসাইডের মাত্রা আরো বেড়েছে।

যেকোন মহামারিতে প্রতিরোধের জন্য আসলে নারী-পুরুষ-ট্রান্সজেন্ডার হিজড়া সমস্ত প্রকার শ্রেণিবর্ণ নির্বিশেষে সম্মিলিত প্রতিরোধ ব্যবস্থাটাই এই মুহূর্তে বেশি দরকার।

আমরা চেষ্টা করবো সবাই যতটুকু সম্ভব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার, নিজেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, নিজেকে ভাল রাখা এবং পাশের মানুষটিকে ভাল রাখার।

CCD Bangladesh © 2021 All Rights Reserved.